‘যুদ্ধের প্রভাব রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে পড়বে না’

২ মার্চ, ২০২২ ১৫:৪৬  
রাশিয়ার সহায়তায় বাংলাদেশের পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মিত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। আর এই নির্মাণকাজে চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। ফলে ২০২৩ সালের এপ্রিলে রূপপুরের ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকেরাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এনইসি সভায় উন্নয়ন বাজেট বা সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (আরএডিপি) উপস্থাপন করা হয়। সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সভায় উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী। এতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) থেকে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে তিন হাজার ৫৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ কমেছে। সব মিলিয়ে এই প্রকল্প যথা সময়ে শেষ হওয়ার পরিকল্পনা মন্ত্রী জানিয়ছেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন বিষয়ে বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখছে। কোভিডেও এই প্রকল্প চলমান ছিলো যুক্তি দিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জাবাবে মন্ত্রী বলেছেন, আসা-যাওয়া, মালামাল, চলাচল, এতদিন যখন কোভিডের সময় হয়েছে, কোভিডের সময়টা যুদ্ধের চেয়ে কম ছিল না, সবকিছু বন্ধ ছিল পৃথিবীর, রাশিয়ানরা প্লেন উড়িয়ে যন্ত্রপাতি, লোক-লস্কর নিয়ে এসেছে, সুতরাং এখনো না আসতে পারার কোনো কারণ নেই। যন্ত্রপাতি, লোক, অর্থ—তিনটাই সিঙ্গেল চ্যানেল, তৃতীয় কোনো পক্ষ নেই। সুতরাং সরাসরি কোনো প্রভাব পড়বে না। যদি যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদি হয়, তখন কোনো পার্শ্বপ্রভাব পড়বে কিনা সেটা পণ্ডিত ব্যক্তিরা গবেষণা করে দেখবেন। আমরা সচেতন নাগরিকরা খোঁজখবর রাখবো, দেখবো।